সম্প্রতি ইসরায়েলের আক্রমণে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে তিনজন সাংবাদিকের মৃত্যু নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে।
![]() |
| লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত সংবাদমাধ্যমের একটি গাড়ি||সংগৃহীত চিত্র |
সেসব আক্রমণের ফলে আন্তর্জাতিক মহলে ইসরায়েলের দায়মুক্তির সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় দেশগুলোর ইসরায়েলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে অক্ষমতা এ অবিচারের সুযোগ তৈরি করেছে।
লেবাননের তথ্যমন্ত্রী ইসরায়েলের বিমান হামলাগুলো উদ্দেশ্যমূলক ও পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন। আক্রমণের স্থানটি সংঘাতের আওতামুক্ত থাকায় এই ধরণের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন অনেকে। স্থানীয়দের মতে, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো পর্যাপ্ত মনোযোগ না দিলে এ ধরনের হামলার মাত্রা আরও বাড়বে।
এর আগে ইসরায়েল আল-জাজিরার সাংবাদিকদের হামাসের সদস্য হিসেবে অভিযুক্ত করেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ভিত্তিহীন অভিযোগ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে। আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠনগুলো ইসরায়েলি বাহিনীর এসব হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল বলে উল্লেখ করেছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছে।
আমাদের নিজস্ব তদন্তে দেখা গেছে, একের পর এক সাংবাদিক হত্যার পেছনে ইসরায়েলের ‘নির্বিচারে ট্যাগিং’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে মিডিয়া স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে ইসরায়েল।
অরিজিনাল বক্তব্য: "বিচারহীনতার এই সংস্কৃতি আমাদের সকলের জন্য উদ্বেগের বিষয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের কাজের স্বাধীনতা রক্ষা করা প্রয়োজন। আমরা আশা করি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ ব্যাপারে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।" — আরিয়ানা রোজ, পরিচালক, Education Bangla News
এই ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের উপর হামলার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এবং তাদের নিরাপত্তার জন্য পদক্ষেপ নিতে আমাদের সবাইকে একত্রিত হতে হবে।

0 Comments